বিশেষ প্রতিবেদক :
ডিইই, চট্টগ্রামের অধীন এস এস এই (ই) লাকসাম স্টোর অবস্থান হতে আজ বৃহস্পতিবার মালামাল বিক্রি হচ্ছে। সরঞ্জাম বিভাগ থেকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে এস এস এই (এস) মোঃ জয়নাল আবেদীনকে।
সেইল অর্ডার অনুযায়ী মালামাল নিচ্ছে মেসার্স আমানত ট্রেডার্স। যেখানে যে অবস্থায় আছে সে অবস্থায় প্রতিকেজি ভিত্তিতে বিক্রি করা হচ্ছে।
সুফিয়ানুর রহমান এখন ডিইই/ঢাকার অধীনে সিলেট বিদ্যুৎ বিভাগে বর্তমানে কর্মরত আছে। এস এস এই /ইলেক / লাকসাম এর ডিপোর ইলেকট্রিক্যাল মালামাল অকশনে বিক্রয় উপলক্ষে তাকে বিধি বহির্ভূত ভাবে লাকসামে নিয়ে আসা হয়েছে। গতকাল রাতে সিলেট থেকে লাকসাম সুফিয়ান এসেছে। সুফিয়ান যেহেতু ডিইই/ চট্টগ্রাম এর অধীনে লাকসাম কর্মরত নাই তাই সে কেনো এবং কিভাবে এই কাজে দায়িত্ব পালন করতে পারে? এই বিষয়ে কর্মচারীদের মাঝে সৃষ্টি হয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। অকশনে তামার তার, ইলেকট্রিক এঙ্গেল সহ আরো গুরুত্বপূর্ন মালামাল বিক্রি হবে। পুরো বিষইয়টি অত্যন্ত গোপনীয়তার সাথে করা হচ্ছে যার নেপথ্যে রয়েছে লাকসামের এস এস ই (ইলেক) কিশোর চন্দ্র দেব বর্মা। অভিযোগ আছে মেসার্স আমানত ট্রেডার্স এর প্রতিনিধির সাথে কিশোর চন্দ্র দেব বর্মার গোপনীয় চুক্তি রয়েছে। আর এ ব্যাপারে সহযগিতার জন্য তার পুরাতন শাগরেদ সুফিয়ানকে সিলেট থেকে লাকসামে তুলে এনেছে।
ঊর্ধ্বতন উপসহকারী প্রকৌশলী বিদ্যুৎ লাকসাম কিশোর চন্দ্র দেববর্মাকে ফোন দিলে তিনি রেলনিউজকে বলেন, হ্যাঁ সুফিয়ান ব্যাংকে টাকা তোলার জন্য এসেছে। পাহাড়িকা লেইট করেছে। তাই আমি একটু থাকার জন্য বলেছি। এখানে দীর্ঘদিন ছিলো। মালামাল সম্পর্কে ভালো ধারনা আছে। তাই আমি তাকে একটু থাকতে বলেছি। এখানে কোন অনিয়ম হচ্ছে না।
যদিও রেলনিউজের কাছে গতকাল রাতেই তথ্য এসেছে, সুফিয়ান এই মালামাল বিক্রির উদ্দেশ্যে লাকসাম আসছে।

