বিশেষ প্রতিবেদক:
পৃথিবীর সবচেয়ে জনপ্রিয় ভ্রমণমাধ্যমগুলোর একটি হলো ট্রেন। আবিষ্কারের পর থেকে ট্রেন বহু কাজে ব্যবহার হয়েছে। শুরুর দিকে এর প্রধান ব্যবহার ছিল কয়লা ও আকরিক পরিবহন। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ট্রেনব্যবস্থা উন্নত হতে থাকলে বদলে যায় এর ভূমিকা। মানুষ নিরাপদ ও দীর্ঘ যাত্রার জন্য ট্রেন ব্যবহার শুরু করে। শিল্পপণ্য পরিবহনের পাশাপাশি যাত্রী পরিবহনের ক্ষেত্রেও ট্রেন হয়ে ওঠে অপরিহার্য। আজকের দিনে ট্রেন ও উড়োজাহাজকে বলা হয় পৃথিবীর সবচেয়ে দ্রুত ও বেশি যাত্রী বহনকারী যান।
বিশ্বজুড়েই ট্রেনের জনপ্রিয়তা ব্যাপক। জাপানের বুলেট ট্রেন থেকে শুরু করে হাইপারলুপের ধারণা, এমনকি ‘আয়রন মেইডেন’-এর বিখ্যাত গান ট্রেন ৬৬৬, সবখানেই ট্রেন একধরনের রোমাঞ্চ আর গতির প্রতীক। ট্রেনযাত্রা যেমন দ্রুতগামী, তেমনি এর অভিজ্ঞতাও হয় অনন্য। একসময় ট্রেন মূলত দূরপাল্লার যাতায়াতের মাধ্যম হলেও এখন একই শহরের মধ্যেও মেট্রো ও লোকাল ট্রেন নিয়মিত চলাচল করছে।
একটি ট্রেনযাত্রা কতটা দীর্ঘ হতে পারে, তা নির্ভর করে গন্তব্যের দূরত্বের ওপর। সাধারণত স্বল্প ও মাঝারি দূরত্বের ট্রেনযাত্রা এক থেকে পাঁচ ঘণ্টার মধ্যেই শেষ হয়। দীর্ঘ দূরত্বের ক্ষেত্রে সময় লাগে ১৫ থেকে ২৪ ঘণ্টা, কখনো কখনো দুই থেকে তিন দিনও। কিন্তু তুমি কি জানো, পৃথিবীতে এমন একটি ট্রেনযাত্রা আছে, যেটি সম্পন্ন করতে সময় লাগে টানা ২১ থেকে ২৩ দিন?শুনতে অবিশ্বাস্য লাগলেও সত্যি। এই দীর্ঘ যাত্রায় ট্রেন প্রায় ১৮ হাজার ৭৫৫ কিলোমিটার বা ১১ হাজার ৬৫৪ মাইল পথ অতিক্রম করে। যদিও অনেক পর্যটক পথে পথে বিভিন্ন শহরে এক-দুদিন করে বিরতি নেন, ফলে পুরো ভ্রমণে এক মাস বা তারও বেশি সময় লেগে যেতে পারে। এই যাত্রাপথে ট্রেনটি ইউরোপ ও এশিয়ার মোট ১৩টি দেশ অতিক্রম করে।
বিশ্বের দীর্ঘতম এই ট্রেন রুটটি সম্পূর্ণ তৈরি হয় ২০২১ সালের ডিসেম্বরে। সে সময় আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয় চীন-লাওস রেলওয়ে। এর আগে বেইজিং থেকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া পর্যন্ত ট্রেনে যাওয়া প্রায় অসম্ভব ছিল। ২০২১ সালের শেষভাগ ও ২০২২ সালের শুরুর দিকে কিছু দুঃসাহসী পর্যটক প্রথমবারের মতো এই দীর্ঘ রুট পাড়ি দিয়ে নতুন রেকর্ড গড়েন।
এই যাত্রার একটি বিশাল অংশ রাশিয়ার ভেতর দিয়ে যেতে হয়। তবে বর্তমানে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে ইউরোপ থেকে রাশিয়ার সীমান্ত অতিক্রম করা এবং ট্রেনের টিকিট পাওয়া অত্যন্ত জটিল হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে প্যারিস-মস্কো এক্সপ্রেস রুটটি এখন স্থগিত রয়েছে। ফলে ইউরোপ থেকে সরাসরি ট্রেনে রাশিয়ায় প্রবেশ করা প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে।ট্রেনে চেপে পর্তুগাল থেকে সিঙ্গাপুর
ট্রেনে চেপে পর্তুগাল থেকে সিঙ্গাপুরম্যাশেবল সি
পৃথিবীর সবচেয়ে জনপ্রিয় ভ্রমণমাধ্যমগুলোর একটি হলো ট্রেন। আবিষ্কারের পর থেকে ট্রেন বহু কাজে ব্যবহার হয়েছে। শুরুর দিকে এর প্রধান ব্যবহার ছিল কয়লা ও আকরিক পরিবহন। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ট্রেনব্যবস্থা উন্নত হতে থাকলে বদলে যায় এর ভূমিকা। মানুষ নিরাপদ ও দীর্ঘ যাত্রার জন্য ট্রেন ব্যবহার শুরু করে। শিল্পপণ্য পরিবহনের পাশাপাশি যাত্রী পরিবহনের ক্ষেত্রেও ট্রেন হয়ে ওঠে অপরিহার্য। আজকের দিনে ট্রেন ও উড়োজাহাজকে বলা হয় পৃথিবীর সবচেয়ে দ্রুত ও বেশি যাত্রী বহনকারী যান।
বিশ্বজুড়েই ট্রেনের জনপ্রিয়তা ব্যাপক। জাপানের বুলেট ট্রেন থেকে শুরু করে হাইপারলুপের ধারণা, এমনকি ‘আয়রন মেইডেন’-এর বিখ্যাত গান ট্রেন ৬৬৬, সবখানেই ট্রেন একধরনের রোমাঞ্চ আর গতির প্রতীক। ট্রেনযাত্রা যেমন দ্রুতগামী, তেমনি এর অভিজ্ঞতাও হয় অনন্য। একসময় ট্রেন মূলত দূরপাল্লার যাতায়াতের মাধ্যম হলেও এখন একই শহরের মধ্যেও মেট্রো ও লোকাল ট্রেন নিয়মিত চলাচল করছে।
একটি ট্রেনযাত্রা কতটা দীর্ঘ হতে পারে, তা নির্ভর করে গন্তব্যের দূরত্বের ওপর। সাধারণত স্বল্প ও মাঝারি দূরত্বের ট্রেনযাত্রা এক থেকে পাঁচ ঘণ্টার মধ্যেই শেষ হয়। দীর্ঘ দূরত্বের ক্ষেত্রে সময় লাগে ১৫ থেকে ২৪ ঘণ্টা, কখনো কখনো দুই থেকে তিন দিনও। কিন্তু তুমি কি জানো, পৃথিবীতে এমন একটি ট্রেনযাত্রা আছে, যেটি সম্পন্ন করতে সময় লাগে টানা ২১ থেকে ২৩ দিন?
শুনতে অবিশ্বাস্য লাগলেও সত্যি। এই দীর্ঘ যাত্রায় ট্রেন প্রায় ১৮ হাজার ৭৫৫ কিলোমিটার বা ১১ হাজার ৬৫৪ মাইল পথ অতিক্রম করে। যদিও অনেক পর্যটক পথে পথে বিভিন্ন শহরে এক-দুদিন করে বিরতি নেন, ফলে পুরো ভ্রমণে এক মাস বা তারও বেশি সময় লেগে যেতে পারে। এই যাত্রাপথে ট্রেনটি ইউরোপ ও এশিয়ার মোট ১৩টি দেশ অতিক্রম করে।
বিশ্বের দীর্ঘতম এই ট্রেন রুটটি সম্পূর্ণ তৈরি হয় ২০২১ সালের ডিসেম্বরে। সে সময় আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয় চীন-লাওস রেলওয়ে। এর আগে বেইজিং থেকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া পর্যন্ত ট্রেনে যাওয়া প্রায় অসম্ভব ছিল। ২০২১ সালের শেষভাগ ও ২০২২ সালের শুরুর দিকে কিছু দুঃসাহসী পর্যটক প্রথমবারের মতো এই দীর্ঘ রুট পাড়ি দিয়ে নতুন রেকর্ড গড়েন।
এই যাত্রার একটি বিশাল অংশ রাশিয়ার ভেতর দিয়ে যেতে হয়। তবে বর্তমানে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে ইউরোপ থেকে রাশিয়ার সীমান্ত অতিক্রম করা এবং ট্রেনের টিকিট পাওয়া অত্যন্ত জটিল হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে প্যারিস-মস্কো এক্সপ্রেস রুটটি এখন স্থগিত রয়েছে। ফলে ইউরোপ থেকে সরাসরি ট্রেনে রাশিয়ায় প্রবেশ করা প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এখানে একটি বিষয় পরিষ্কার করে বলা দরকার। একটি মাত্র ট্রেনে চড়ে পুরো যাত্রা সম্পন্ন করা যায় না। কার্যকর রুট অনুসরণ করলে যাত্রীদের আনুমানিক ৮ থেকে ১১টি ট্রেন পরিবর্তন করতে হয়। যাত্রা শুরু হয় পর্তুগালের লাগোস শহর থেকে, আর শেষ গন্তব্য সিঙ্গাপুর। অর্থাৎ এটি মূলত অনেকগুলো ট্রেনের সংযোগে গঠিত একটি দীর্ঘ ভ্রমণপথ। পুরো যাত্রায় ট্রেনগুলো ১০০ থেকে ১৫০টিরও বেশি প্রধান স্টেশনে থামে।
এই যাত্রা নিঃসন্দেহে ব্যয়বহুল। তবে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো ভিসা সংগ্রহ। পাসপোর্টের ধরন অনুযায়ী যাত্রীদের প্রয়োজন হতে পারে শেনজেন ভিসা, রাশিয়ান ভিসা, মঙ্গোলিয়ান ও চীন ভিসা, পাশাপাশি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার জন্য থাইল্যান্ড ও লাওসের ভিসা। শুধু ট্রেনের টিকিটেই খরচ পড়তে পারে আনুমানিক এক হাজার ৩০০ থেকে এক হাজার ৫০০ মার্কিন ডলার। এর সঙ্গে ভিসা বাবদ আরও ৫০০ থেকে ৭০০ ডলার খরচ হতে পারে, কারণ ট্রেনটি ১৩টি দেশ অতিক্রম করে।ট্রেনে চেপে পর্তুগাল থেকে সিঙ্গাপুর
ট্রেনে চেপে পর্তুগাল থেকে সিঙ্গাপুরম্যাশেবল সি
পৃথিবীর সবচেয়ে জনপ্রিয় ভ্রমণমাধ্যমগুলোর একটি হলো ট্রেন। আবিষ্কারের পর থেকে ট্রেন বহু কাজে ব্যবহার হয়েছে। শুরুর দিকে এর প্রধান ব্যবহার ছিল কয়লা ও আকরিক পরিবহন। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ট্রেনব্যবস্থা উন্নত হতে থাকলে বদলে যায় এর ভূমিকা। মানুষ নিরাপদ ও দীর্ঘ যাত্রার জন্য ট্রেন ব্যবহার শুরু করে। শিল্পপণ্য পরিবহনের পাশাপাশি যাত্রী পরিবহনের ক্ষেত্রেও ট্রেন হয়ে ওঠে অপরিহার্য। আজকের দিনে ট্রেন ও উড়োজাহাজকে বলা হয় পৃথিবীর সবচেয়ে দ্রুত ও বেশি যাত্রী বহনকারী যান।
বিশ্বজুড়েই ট্রেনের জনপ্রিয়তা ব্যাপক। জাপানের বুলেট ট্রেন থেকে শুরু করে হাইপারলুপের ধারণা, এমনকি ‘আয়রন মেইডেন’-এর বিখ্যাত গান ট্রেন ৬৬৬, সবখানেই ট্রেন একধরনের রোমাঞ্চ আর গতির প্রতীক। ট্রেনযাত্রা যেমন দ্রুতগামী, তেমনি এর অভিজ্ঞতাও হয় অনন্য। একসময় ট্রেন মূলত দূরপাল্লার যাতায়াতের মাধ্যম হলেও এখন একই শহরের মধ্যেও মেট্রো ও লোকাল ট্রেন নিয়মিত চলাচল করছে।
একটি ট্রেনযাত্রা কতটা দীর্ঘ হতে পারে, তা নির্ভর করে গন্তব্যের দূরত্বের ওপর। সাধারণত স্বল্প ও মাঝারি দূরত্বের ট্রেনযাত্রা এক থেকে পাঁচ ঘণ্টার মধ্যেই শেষ হয়। দীর্ঘ দূরত্বের ক্ষেত্রে সময় লাগে ১৫ থেকে ২৪ ঘণ্টা, কখনো কখনো দুই থেকে তিন দিনও। কিন্তু তুমি কি জানো, পৃথিবীতে এমন একটি ট্রেনযাত্রা আছে, যেটি সম্পন্ন করতে সময় লাগে টানা ২১ থেকে ২৩ দিন?
শুনতে অবিশ্বাস্য লাগলেও সত্যি। এই দীর্ঘ যাত্রায় ট্রেন প্রায় ১৮ হাজার ৭৫৫ কিলোমিটার বা ১১ হাজার ৬৫৪ মাইল পথ অতিক্রম করে। যদিও অনেক পর্যটক পথে পথে বিভিন্ন শহরে এক-দুদিন করে বিরতি নেন, ফলে পুরো ভ্রমণে এক মাস বা তারও বেশি সময় লেগে যেতে পারে। এই যাত্রাপথে ট্রেনটি ইউরোপ ও এশিয়ার মোট ১৩টি দেশ অতিক্রম করে।
বিশ্বের দীর্ঘতম এই ট্রেন রুটটি সম্পূর্ণ তৈরি হয় ২০২১ সালের ডিসেম্বরে। সে সময় আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয় চীন-লাওস রেলওয়ে। এর আগে বেইজিং থেকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া পর্যন্ত ট্রেনে যাওয়া প্রায় অসম্ভব ছিল। ২০২১ সালের শেষভাগ ও ২০২২ সালের শুরুর দিকে কিছু দুঃসাহসী পর্যটক প্রথমবারের মতো এই দীর্ঘ রুট পাড়ি দিয়ে নতুন রেকর্ড গড়েন।
এই যাত্রার একটি বিশাল অংশ রাশিয়ার ভেতর দিয়ে যেতে হয়। তবে বর্তমানে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে ইউরোপ থেকে রাশিয়ার সীমান্ত অতিক্রম করা এবং ট্রেনের টিকিট পাওয়া অত্যন্ত জটিল হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে প্যারিস-মস্কো এক্সপ্রেস রুটটি এখন স্থগিত রয়েছে। ফলে ইউরোপ থেকে সরাসরি ট্রেনে রাশিয়ায় প্রবেশ করা প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এখানে একটি বিষয় পরিষ্কার করে বলা দরকার। একটি মাত্র ট্রেনে চড়ে পুরো যাত্রা সম্পন্ন করা যায় না। কার্যকর রুট অনুসরণ করলে যাত্রীদের আনুমানিক ৮ থেকে ১১টি ট্রেন পরিবর্তন করতে হয়। যাত্রা শুরু হয় পর্তুগালের লাগোস শহর থেকে, আর শেষ গন্তব্য সিঙ্গাপুর। অর্থাৎ এটি মূলত অনেকগুলো ট্রেনের সংযোগে গঠিত একটি দীর্ঘ ভ্রমণপথ। পুরো যাত্রায় ট্রেনগুলো ১০০ থেকে ১৫০টিরও বেশি প্রধান স্টেশনে থামে।
এই যাত্রা নিঃসন্দেহে ব্যয়বহুল। তবে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো ভিসা সংগ্রহ। পাসপোর্টের ধরন অনুযায়ী যাত্রীদের প্রয়োজন হতে পারে শেনজেন ভিসা, রাশিয়ান ভিসা, মঙ্গোলিয়ান ও চীন ভিসা, পাশাপাশি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার জন্য থাইল্যান্ড ও লাওসের ভিসা। শুধু ট্রেনের টিকিটেই খরচ পড়তে পারে আনুমানিক এক হাজার ৩০০ থেকে এক হাজার ৫০০ মার্কিন ডলার। এর সঙ্গে ভিসা বাবদ আরও ৫০০ থেকে ৭০০ ডলার খরচ হতে পারে, কারণ ট্রেনটি ১৩টি দেশ অতিক্রম করে।
তাহলে প্রশ্ন হলো, লিসবন থেকে সিঙ্গাপুরে যেখানে মাত্র ২৪ ঘণ্টায় উড়োজাহাজে পৌঁছানো সম্ভব, সেখানে কেন কেউ তিন সপ্তাহ ধরে সীমান্ত পার হয়ে, একের পর এক ট্রেনে চড়ে, দীর্ঘ সময় আর নানা প্রতিকূলতা সহ্য করে এই যাত্রা করবে? উত্তরটা আসলে খুবই সহজ। ট্রেনযাত্রার আনন্দের জন্য।
এই যাত্রা কেবল এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় পৌঁছানোর মাধ্যম নয়; বরং এটি একধরনের অভিজ্ঞতা। বিমানে বসে মেঘের ওপর দিয়ে উড়ে যাওয়ার সময় যা অনুভব করা যায় না, ট্রেনের জানালার পাশে বসে তা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। সংস্কৃতি, মানুষ আর প্রকৃতিকে কাছ থেকে দেখার সুযোগ দেয় এই ভ্রমণ। পথে পথে তুমি দেখতে পাবে পর্তুগালের রোদেলা সৈকত, সাইবেরিয়ার রুক্ষ ও নির্জন সৌন্দর্য, গোবি মরুভূমির বিশাল বিস্তৃতি এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সবুজ পাহাড় ও গ্রীষ্মমণ্ডলীয় বন। যেন ট্রেনের জানালার বাইরে দিয়ে অর্ধেক পৃথিবী ধীরে ধীরে ভেসে যাচ্ছে।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

