বিশেষ প্রতিবেদক :
বাংলাদেশ রেলওয়ের একজন কর্মচারীর বিরুদ্ধে প্রতারণার মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ এবং ভুক্তভোগীকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগী মোঃ ইমাম উদ্দিন (মোহাম্মদ ইমাম উদ্দিন) অভিযোগ করে জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরে বেকার থাকায় জীবিকা নির্বাহের উদ্দেশ্যে একটি দোকান নেওয়ার পরিকল্পনা করেন। এ সময় চট্টগ্রাম রেলস্টেশনে যাতায়াতের সুবাদে শুভংকর দে নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে তার পরিচয় হয়। অভিযুক্ত শুভংকর দে নিজেকে বাংলাদেশ রেলওয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা পরিচয় দেন এবং একাধিকবার ট্রেনের টিকিট সংগ্রহ করে দিয়ে বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন করেন।অভিযোগে বলা হয়, কদমতলী ফোর স্টার সিএনজি পাম্প সংলগ্ন এলাকায় একটি দোকান পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে শুভংকর দে প্রথমে দোকানের জামানত বাবদ ৩ লাখ টাকা নেন এবং একটি ব্যাংক চেক প্রদান করেন। পরবর্তীতে দোকান খালি করতে আরও ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা দাবি করলে ভুক্তভোগী তার সরল বিশ্বাসে ও অভিযুক্তের মায়ের কসম দেওয়ার কারণে মোট ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা প্রদান করেন।
ভুক্তভোগীর দাবি, টাকা নেওয়ার পর শুভংকর দে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। পরে জানতে পারেন, তিনি বদলি হয়ে কক্সবাজারে কর্মরত রয়েছেন। কক্সবাজারে গিয়ে টাকা ফেরত চাইলে অভিযুক্ত তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং প্রাণনাশের হুমকি দেন। এমনকি পুনরায় কক্সবাজার গেলে জীবিত ফিরে যেতে পারবে না বলেও হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।মোঃ ইমাম উদ্দিন আরও জানান, স্ত্রীর স্বর্ণালংকার বন্ধক রাখা এবং স্থানীয় সমিতি থেকে সুদের ওপর ঋণ নিয়ে তিনি এই অর্থ পরিশোধ করেন। বর্তমানে সুদের টাকা পরিশোধ করাও তার পক্ষে কঠিন হয়ে পড়েছে।
এ ঘটনায় তিনি বিভাগীয় সংকেত ও টেলিযোগাযোগ প্রকৌশলী (চট্টগ্রাম), বাংলাদেশ রেলওয়ে বরাবর লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন এবং আত্মসাৎকৃত অর্থ উদ্ধারের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।মোঃ ইমাম উদ্দিন আরও জানান, স্ত্রীর স্বর্ণালংকার বন্ধক রাখা এবং স্থানীয় সমিতি থেকে সুদের ওপর ঋণ নিয়ে তিনি এই অর্থ পরিশোধ করেন। বর্তমানে সুদের টাকা পরিশোধ করাও তার পক্ষে কঠিন হয়ে পড়েছে।
এ ঘটনায় তিনি বিভাগীয় সংকেত ও টেলিযোগাযোগ প্রকৌশলী (চট্টগ্রাম), বাংলাদেশ রেলওয়ে বরাবর লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন এবং আত্মসাৎকৃত অর্থ উদ্ধারের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত শুভংকর দে রেলনিউজ ২৪-কে জানান, “অফিসিয়ালি একটি সমাধান করা হয়েছে। আগামী ২০ তারিখের মধ্যে ভুক্তভোগীর টাকা ফেরত দেওয়া হবে।”
তবে সমাধানের বিষয় এমন কোনো কথা হয়নি বলে নিশ্চিত করেছেন মো: ইমাম উদ্দিন।

